Friday, 8 April 2016

শারদীয়া

সোহাগী বিকালের রোদ
চুরি করে শরতের মেঘ
           ভেসে আছে আকাশের গায়
           কাশফুলে দোল খাওয়া
উন্মনা নদীতীরে
স্থির চোখে বক একপায় ।।

          গেল ঝড়ে ভেঙ্গে যাওয়া
        কদমের ডাল থেকে
ফড়িঙ্গের ওড়াওড়ি
        ধানক্ষেতে সোনাঝরা 
হাসিমুখ শিউলির 

         খেজুরের ডাল থেকে
         সুখিমুখ বাবুই সংসার।
খড়কুটো জড়ো করা 
কিচি মিচি মিছি মিছি 
গড়ে তলে ঘর বারবার ।।

        টুপটাপ খসে পড়া
        তারাদের সারি সারি মুখ ।

কচুরিপানার ফুলে 
ভরে থাকা পুকুরের বুক ।।

        রোদ্দুরে ঘুঘু তোলে
        শরতের আগমনী তান ।

ভোরবেলা ঝরে যাওয়া 
        ঘাসে ঘাসে করে অভিমান ।।


Thursday, 7 April 2016

হঠাথ দেখার সুখ

মেঘলা দিনের আলো ছায়ায় কৃষ্ণচুড়ার তলে
ডাহুক ডাকা মাঠের পাড়ে পদ্ম দিঘির পাড়ে
নাইতে থাকা অবুঝ প্রিয়ার সবুজ দুটি আঁখি
চমকে চাওয়ায় অপ্রস্তুতি দুচোখ ভরে দেখি ।।

এই তো সেদিন অঝোর ধারায় বৃষ্টি ছিল পথে
কাজের শেষে ফিরতে ছিলেম কেউ ছিলনা সাথে।
মোড়ের  মাথায় এক পলকের মিষ্টি হাসি মুখ
তোমার চোখে চমকে চাওয়ায় হঠাত অপ্রস্তুত।

 বুকের কাছে দুহাত জোড়া নতুন চটি ছাতায়
থমকে গেছ পথের ওপর ঘোমটা খোলা মাথায়
ভিজতে থাকা নীলাম্বরী ভিজতে থাকা খোঁপায়
কাপড় তোলা হাঠুর কাছে লজ্জা চোখের চাওয়ায়।

অনেক রকম ছবি ই  তোমার কাঁপিয়ে দেয় বুক
এমন ছবি একটাও নেই হঠাত দেখার সুখ"-

Wednesday, 6 April 2016

আ:বেদন




এ তোমার কেমন খেলা বোধিসত্ব -
দু চোখের প্রপেলারে মুগ্ধতার আবীর
না বিষ ছড়াও অবিরাম?
সাড়ে তিন হাত টেবিলের এপার থেকে
ঘেমে নেয়ে রেঙে উঠি আমি বারবার ।।

তুমি ছড়িয়ে পড়া কুচো রাংতার মতো হাসো
আর আমার জ্বর আসে- স্বেদ জ্বর
অথচ কেও কুড়িয়ে দিতে আসেনা দিশা
কাটা ঘুড়ির মতো লাট  খেতে খেতে
কুমকুমে কুমকুমে ছয়লাপ হয়
আমার রক্তাক্ত হৃদয় ।।